মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি

প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি

 

http://www.lgd.gov.bd

রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১

বাংলাদেশ গেজেট

অতিরিক্ত সংখ্যা

কৃর্তক প্রকাশিত

 

 

বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০০৯

 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

 

ঢাকা, ৮ই এপ্রিল, ২০০৯/২৫শে চৈত্র, ১৪১৫

 

সংসদ কর্তৃক গৃহীত নিমড়বলিখিত আইনটি ৬ই এপ্রিল, ২০০৯ (২৩শে চৈত্র, ১৪১৫) তারিখে

রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা এই আইনটি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা

যাইতেছেঃ.

২০০৯ সনের ২৭ নং আইন

উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃ প্রচলন এবং উক্ত আইনের অধিকতর

সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন

 

যেহেতুূ

নিমড়ববর্ণিত উদ্দেশ্যসমহ পরণকল্পে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪

নং আইন) পুনঃপ্রচলন করা এবং উক্ত আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিমড়বরূপ আইন করা হইলঃ.

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।.(১) এই আইন উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন

পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯ নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা ৩০ জুন, ২০০৮ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

২। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর পুনঃপ্রচলন।.স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ)

অধ্যাদেশ, ২০০৮ (২০০৮ সনের ৩২ নং অধ্যাদেশ) দ্বারা রহিত উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮

(১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন) একই সনের একই নম্বরে পুনঃপ্রচলন করা হইল।

( ২৮১৫ )

মূল্যঃ টাকা ১৪.০০

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

৩। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ২ এর সংশোধন।.উপজেলা পরিষদ আইন,

১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উলিস্নখিত, এর ধারা ২ এর.

(ক) দফা (ক) এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

(ক)‘‘অস্থায়ী চেয়ারম্যান’’ অর্থ চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনকারী

ব্যক্তি;(খ) দফা (ঞ) এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ দফা (ঞ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

(ঞ)‘‘পৌর প্রতিনিধি’’ অর্থ ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ঘ)তে উলিস্নখিত

পৌরসভার মেয়র বা সাময়িকভাবে তাহার দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি;

(গ)দফা (ঠ) ও (ড) এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ দফা (ঠ), (ড) ও (ঢ) প্রতিস্থাপিত হইবে,

যথাঃ.

(ঠ)‘‘ভাইস চেয়ারম্যান’’ অর্থ পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান;

(ড)‘‘মহিলা সদস্য’’ অর্থ ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) তে উলেস্নখিত

পরিষদের সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত মহিলা সদস্য;

(ঢ)‘‘সদস্য’’ অর্থ পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানসহ অন্য যে কোন

সদস্য।

৪। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৬ এর প্রতিস্থাপন।.উক্ত আইন এর ধারা

৬ এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ ধারা ৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

৬। পরিষদের গঠন।.(১) এই আইনের বিধান অনু

যায়ী নিমড়ববর্ণিত ব্যক্তিগণ সমন্বয়ে

উপজেলা পরিষদ গঠিত হইবে, যথাঃ.

(ক) চেয়ারম্যান;

(খ) দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, যাহার মধ্যে একজন মহিলা হইবেন;

 

(গ) উপজেলার

এলাকাভক্তুপ্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা

সাময়িকভাবে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি;

(ঘ) উপজেলার এলাকাভু

ক্ত প্রত্যেক পৌরসভা, যদি থাকে, এর মেয়র বা

সাময়িকভাবে মেয়রের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি; এবং

(ঙ)উপ-ধারা (৪) অনু

যায়ী সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণ।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯ ২৮১৭

(২) উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগণ নির্বাচন কমিশন

কর্তৃক প্রণীত ভোটার তালিকায় অমত্মর্ভুক্ত ভোটারদের দ্বারা নির্বাচন কমিশন কতৃর্ক

নির্ধারিত সময়, স্থান ও পদ্ধতিতে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচিত

হইবেন।

(৩) কোন উপজেলার এলাকাভুক্ত কোন ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা বাতিল হইবার

কারণে উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) ও (ঘ) এর অধীন উপজেলা পরিষদের সদস্য

থাকিবেন না এবং এইরূপ সদস্য না থাকিলে উক্ত উপজেলা পরিষদ গঠনের বৈধতা

 হইবে না।

(৪) প্রত্যেক উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভা, যদি থাকে, এর

মোট সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সম সংখ্যক আসন, অতঃপর সংরক্ষিত আসন বলিয়া

উলিস্নখিত, মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে, যাহারা উক্ত উপজেলার এলাকাভুক্ত

ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা, যদি থাকে, এর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য বা

কাউন্সিলরগণ কতৃর্ক তাহাদের মধ্য হইতে নির্বাচিত হইবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারায় কোন কিছুই কোন মহিলাকে সংরক্ষিত আসন

বহির্ভূত আসনে সরাসরি নির্বাচন করিবার অধিকারকে বারিত করিবে না।

ব্যাখ্যাঃ এই উপ-ধারার অধীন সংরক্ষিত আসনে সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে, যদি উক্ত

সংখ্যার ভগড়বাংশ থাকে এবং উক্ত ভগড়বাংশ অর্ধেক বা তদূর্ধ্ব হয়, তবে

উহাকে পূর্ণ সংখ্যা বলিয়া গণ্য করিতে হইবে এবং যদি উক্ত ভগড়বাংশ

অর্ধেকের কম হয়, তবে উহাকে উপেক্ষা করিতে হইবে।

(৫) উপ-ধারা (১) এর অধীন উপজেলা পরিষদ গঠিত হইবার পর উহার অধি্ক্ষেত্রের

মধ্যে নূতন পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হইবার কারণে উপজেলা

পরিষদের পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠান না হওয়া পর্যমত্ম উপ-ধারা (৪) এ উলিস্নখিত

আসন সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটিবে না এবং এই কারণে বিদ্যমান উপজেলা পরিষদ

গঠনের বৈধতা ÿুণড়ব হইবে না।

(৬) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) ও (ঘ) তে উলিস্নখিত ব্যক্তি এই আইনের অধীন

পরিষদের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৭) কোন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এর পদসহ শতকরা ৭৫ ভাগ

সদস্যের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইলে এবং নির্বাচিত সদস্যগণের নাম সরকারি গেজেটে

প্রকাশিত হইলে, পরিষদ, এই আইনের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, যথাযথভাবে গঠিত

হইয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

ব্যাখ্যাঃ গঠিত পরিষদের মোট সদস্যের (৭৫%) পঁ

 

চাত্তর শতাংশ নির্ধারণের ক্ষেত্রে

ভগড়বাংশের উদ্ভব হইলে এবং তাহা দশমিক পূঁা

চ শন্য শতাংশের কম হইলে অগ্রাহ্য

করিতে হইবে এবং দশমিক পূঁা

চ শন্য শতাংশ বা তার বেশী হইলে তাহা এক গণ্য

করিতে হইবে।

৫। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৮ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ৮ এর.

(ক) উপামত্মটীকায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যানের’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান ও ভাইস

চেয়ারম্যানের’’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান ও ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং

(গ) উপ-ধারা (২) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান ও ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

৬। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৯ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ৯ এর.

(ক) উপামত্মটীকায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (১) এর.

(অ) ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও

কমা প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং

(আ) শপথপত্র বা ঘোষণাপত্র ফরমের পরিবর্তে নিমড়বরূপ শপথপত্র বা ঘোষণাপত্র

ফরম প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

শপথপত্র বা ঘোষণাপত্র

 

আমি.................................................................................................................

 

 

.....................পিতা/স্বামী......................................................................................

 

 

...............................................................................................জেলা..................

.....................................................উপজেলার চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/সদস্য নির্বাচিত

হইয়া সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃুঢ়ভাবে ঘোষণা) করিতেছি যে, আমি ভীতি বা অনগ্রহ, অনরাগ বা

বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন অনুযায়ী এবং সততা, নিষ্ঠা ও বিশ্বসত্মতার সহিত

আমার পদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করিব। আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃুত্রিম বিশ্বাস ও আনগত্য

পোষণ করিব।

স্বাক্ষর’’;

 

(গ) উপ-ধারা (২) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

২৮১৯

৭। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১০ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১০ এর.

(ক)‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি

প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)ব্যাখায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যানের’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান ও ভাইস

চেয়ারম্যানের’’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

৮। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১১ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১১ এর.

(ক)উপামত্মটীকায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান ও ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)‘‘চেয়ারম্যানের’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা

প্রতিস্থাপিত হইবে।

৯। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১২ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১২ এর.

(ক)উপামত্মটীকায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যানের’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যগণের’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)উপধারা (১) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যানের’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্যগণ’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

১০। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১৩ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১৩ এর.

(ক)উপধারা (১) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)উপধারা (২) এর.

(অ) ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও

কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

(আ) শর্তাংশে উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

 

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ)উপধারা (৩) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঘ)উপধারা (৪) এ উলিস্নখিত ‘‘(খ) ও (গ)’’ বন্ধনীগুলি ও বর্ণগুলির পরিবর্তে ‘‘(গ) ও

(ঘ)’’ বন্ধনীগুলি ও বর্ণগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

২৮২০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

(ঙ) উপধারা (৫) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

১১। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১৪ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১৪ এর.

(ক) উপামত্মটীকায় ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’

শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপধারা (১) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) উপধারা (২) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

১২। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১৫ এর প্রতিস্থাপন।.উক্ত আইন এর ধারা

১৫ এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ ধারা ১৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

১৫। অস্থায়ী চেয়ারম্যান ও প্যানেল।.(১) পরিষদ গঠিত হইবার পর প্রম অনুষ্ঠিত

সভার এক মাসের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যানগণ তাহাদের নিজেদের মধ্য হইতে

অগ্রাধিকারক্রমে দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি চেয়ারম্যানের প্যানেল নির্বাচিত করিবেন।

(২) অনুপস্থিতি, অসুস্থতাহেতু বা অন্য যে কোন কারণে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালনে অসমর্থ

হইলে তিনি পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যমত্ম চেয়ারম্যানের প্যানেল

হইতে অগ্রাধিকারক্রমে একজন ভাইস চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন

করিবেন।

(৩) পদত্যাগ, অপসারণ, মৃত্যুজনিত অথবা অন্য যে কোন কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য

হইলে নতুন চেয়ারম্যানের কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যমত্ম চেয়ারম্যানের প্যানেল হইতে

অগ্রাধিকারক্রমে একজন ভাইস চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) এই আইনের বিধান অনুযায়ী চেয়ারম্যানের প্যানেলভুক্ত ভাইস চেয়ারম্যানগণ

অযোগ্য হইলে অথবা ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব পালনে অসম্মতি জ্ঞাপন করিলে

পরিষদের সিদ্ধামত্মক্রমে সদস্যগণের মধ্য হইতে নতুন চেয়ারম্যানের প্যানেল তৈরী

করা যাইবে।

(৫) উপ-ধারা (১) ও (৪) অনুযায়ী চেয়ারম্যান প্যানেল নির্বাচিত না হইলে সরকার

প্রয়োজন অনুসারে চেয়ারম্যান প্যানেল তৈরী করিতে পারিবে।

 

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

 

১৩। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১৬ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১৬

এর দফা (ক) তে উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যানের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যানের’’ শব্দগুলি

প্রতিস্থাপিত হইবে।

 

১৪। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১৭ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১৭ তে

উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত

হইবে।

 

১৫। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ১৯ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ১৯

এর দফা (ক) ও (খ) এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ দফা (ক) ও (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

(ক)

চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা হইবে; এবং

(খ)

কোন ব্যক্তির নাম যে উপজেলার ভোটার তালিকায় আপাততঃ লিপিবদ্ধ থাকিবে,

তিনি সেই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যনের নির্বাচনে ভোট

প্রদান করিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হইতে

পারিবেন।

১৬। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ২০ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ২০ এর.

 

 

(ক)উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)উপ-ধারা (২) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

১৭। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ২১ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ২১ এর.

(ক)উপামত্মটীকায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা

প্রতিস্থাপিত হইবে।

১৮। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ২২ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ২২ এর.

(ক)উপামত্মটীকায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)

‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা

প্রতিস্থাপিত হইবে।

 

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

 

১৯। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ২৫ এর প্রতিস্থাপন।.উক্ত আইন এর ধারা

২৫ এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ ধারা ২৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

 

 

২৫। পরিষদের উপদেষ্টা।.(১) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনু

 

চ্ছেদ ৬৫ এরঅধীন একক আঞ্চলিক এলাকা হইতে নির্বাচিত সংশিস্নষ্ট সংসদ সদস্য পরিষদের

উপদেষ্টা হইবেন এবং পরিষদ উপদেষ্টার পরামর্শ গ্রহণ করিবে।

(২)সরকারের সহিত কোন বিষয়ে পরিষদের যোগাযোগের ÿÿত্রে পরিষদকে উক্ত বিষয়টি

সংশিস্নষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যকে অবহিত রাখিতে হইবে।

২০। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইনের ধারা ২৬ এর সংশোধন।.উক্ত আইনের ধারা ২৬ এর

উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

(২) পরিষদের নির্বাহী ÿমতা পরিষদের নিকট হইতে ÿমতাপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান, সদস্য বা অন্য কোন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রযু

ক্ত হইবে।

২১। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইনের ধারা ২৭ এর সংশোধন।.উক্ত আইনের ধারা ২৭ এর.

(ক)উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ)উপ-ধারা (৪) এ অবস্থিত ‘‘সরকার’’ শব্দটির পরে ‘‘ও সংশিস্নষ্ট এলাকার সংসদ

সদস্যের’’ শব্দগুলি সনিড়ববেশিত হইবে।

২২। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ২৯ এর প্রতিস্থাপন।.উক্ত আইন এর ধারা ২৯

এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ ধারা ২৯ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

২৯। কমিটি।.(১) পরিষদ উহার কাজের সহায়তার জন্য যে কোন সদস্য বা অন্য কোন

ব্যক্তির সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কমিটি নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ

কমিটির সদস্য সংখ্যা ও ইহার দায়িত্ব এবং কার্যধারা নির্ধারণ করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, চেয়ারম্যান কোন স্থায়ী কমিটির সভাপতি হইতে পারিবেন না।

(২) পরিষদ নিমড়ববর্ণিত বিষয়ে ১(এক)টি করিয়া স্থায়ী কমিটি গঠন করিবেঃ

(ক) আইন-শৃ

ঙ্খলা;

(খ)যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো উনড়বয়ন;

(গ) কৃষি ও সেচ;

 

(ঘ) শিক্ষা;

(ঙ)স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা;

(চ)যুব ও ক্রীড়া উনড়বয়ন;ু

 

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

 

(ছ)মহিলা ও শিশু উনড়বয়ন;

(জ) সমাজকল্যাণ;

(ঝ) ভূমি;

 

(ঞ) মৎস্য ও পশুসম্পদ;

(ট)পলস্নী উনড়বয়ন ও সমবায়;

(ঠ)তথ্য ও সংস্কৃতি;

 

(ড)বন ও পরিবেশ;

(ঢ)বাজার মল্য পর্যবেÿণ, মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণ।ূ

(৩)সংশিস্নষ্ট উপজেলা কর্মকর্তা এই ধারার অধীন গঠিত তদসংশিস্নষ্ট স্থায়ী কমিটির

সদস্য-সচিব হইবেন।

(৪)স্থায়ী কমিটি ইহার কাজের সবিধার্থে সংশিস্নষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোন একজন ব্যক্তিকেুকমিটির সদস্য হিসাবে অমত্মর্ভুক্ত (পড়-ড়ঢ়ঃ) করিতে পারিবে।

(৫)স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধামত্ম গ্রহণের ÿÿত্রে কমিটিতে অমত্মর্ভক্ত সদস্যু(পড়-ড়ঢ়ঃ

সবসনবৎ) এবং সদস্য-সচিবের কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।

২৩। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৩৩ এর প্রতিস্থাপন।.উক্ত আইন এর ধারা

৩৩ এর পরিবর্তে নিমড়বরূপ ধারা ৩৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ.

 

৩৩। পরিষদের সচিব।.উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিষদের সচিব হইবেন এবং তিনি

পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।

 

২৪। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৪০ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা

৪০ এর উপ-ধারা (২) এ উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’

শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

 

২৫। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৪২ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা

৪২ এর উপ-ধারা (৩) এ অবস্থিত ‘‘উনড়বয়ন পরিকল্পনার’’ শব্দগুলির পরে ‘‘বিষয়ে সংশিস্নষ্ট সংসদ

সদস্যের সুূ

পারিশ গ্রহণপর্বক’’ শব্দগুলি সনিড়ববেশিত হইবে।

২৬। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৪৩ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ৪৩ এ

উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত

হইবে।

 

২৭। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৫৩ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ৫৩

এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) তে উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

 

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, এপ্রিল ৮, ২০০৯

২৮। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইনের ধারা ৬৩ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ৬৩ এর উপধারা

(২) এর.(ক)

দফা (ক) তে উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

(খ)দফা (গ) তে উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

(গ)দফা (ণ) তে উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

২৯। ১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন এর ধারা ৬৯ এর সংশোধন।.উক্ত আইন এর ধারা ৬৯ এর.

(ক)উপামত্মটীকায় উলিস্নখিত ‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস

চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত হইবে।

‘‘চেয়ারম্যান’’ শব্দের পরিবর্তে ‘‘চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান’’ শব্দগুলি ও কমা

প্রতিস্থাপিত হইবে।

৩০। রহিতকরণ ও হেফাজত।.(১) স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ,

২০০৮ (২০০৮ সনের ৩২ নং অধ্যাদেশ), অতঃপর রহিত অধ্যাদেশ বলিয়া উলিস্নখিত, এতদ্দ্বারা

রহিত করা হইল।

 

(২) রহিত অধ্যাদেশের অধীন প্রদত্ত আদেশ, কৃৃু

ত কাজ-কর্ম, গহীত ব্যবস্থা ও অনষ্ঠিত নির্বাচন

এই আইন দ্বারা পু

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter